শূন্যপদের ভুল তথ্য সংশোধনের পরামর্শ দিয়েছে এনটিআরসিএ

শূণ্যপদের ভুল তথ্য সংশোধনের পরামর্শ  দিয়েছে এনটিআরসিএবেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের লক্ষ্যে বেশকিছু প্রতিষ্ঠান থেকে শূন্যপদের ভুল তথ্য দিয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

 তাই, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা বা ডিইওদের শূন্যপদের তথ্য যাচাই ও সংশোধনের দায়িত্ব দিয়েছে এনটিআরসিএ।

 

শূন্যপদের ভুল তথ্য সংশোধনের পরামর্শ দিয়েছে এনটিআরসিএ

 

৩১ জানুয়ারি থেকে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তারা শূন্যপদের তথ্য সংশোধন করতে পারছেন। 
যা চলবে আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। 
এই সময়ের মধ্যে শূন্যপদের তথ্য যাচাই ও সংশোধনের কাজ অবশ্যই শেষ করতে হবে।

শূন্যপদের ভুল তথ্য সংশোধনের পরামর্শ দিয়েছে এনটিআরসিএ

 জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের যাচাই করা পদগুলো সঠিক বলে বিবেচনা করবে এনটিআরসিএ।
সে অনুযায়ী পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে। 
এ বিষয়ে কোনো তথ্য জানা থাকলে এনটিআরসিএর অফিসে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।
অফিস চলাকালীন ০২-৪১০৩০৩৯৩ টেলিফোন নম্বরে ফোন করে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে। 
 
আর শূন্যপদের তথ্য সংশোধনে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের তৎপর হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন এনটিআরসিএর কর্মকর্তারা।
 
এনটিআরসিএরেএকাধিক নির্ভযোগ্য সূত্র থেকে জানা যায় যে, অনেক প্রতিষ্ঠান এবারো শূন্যপদের তথ্য পাঠিয়েছেন।
তবে, এবার অন্যান্য ভূল কম হলেও,  সংখ্যাগত ভুল বেশি হয়েছে। 
হয়তো ১জন শিক্ষক লাগবে সেখানে অনেক প্রতিষ্ঠান প্রধান তিনজন শিক্ষকের চাহিদা দিয়েছেন।
এসব ভুল সংশোধনের সুযোগ দেয়া হয়েছে। 
যেসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান শূন্যপদে তথ্য দিতে ভুল করেছেন, তারা জেলা শিক্ষা অফিসে যোগাযোগ করে এসব ভুল সংশোধন করতে পারবেন।
 তবে, এবার প্রতিষ্ঠান প্রধানদের এসব ভুল সংশোধনে তৎপর হবে।

শূণ্যপদের ভুল তথ্য সংশোধনের পরামর্শ  দিয়েছে এনটিআরসিএ

 
কারণ শিক্ষক নিয়োগের সময় শূন্যপদের তথ্য ভুল থাকলে  প্রতিষ্ঠান প্রধান ও কমিটির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান এনটিআরসিএর কর্মকর্তারা।


এনটিআরসিএর কর্মকর্তরা বলেন, “কোনো প্রতিষ্ঠান শূন্যপদের ভুল তথ্য দিলে সে পদে সুপারিশ করা প্রার্থীকে নিয়োগ দিতে হবে।
প্যাটার্নের অতিরিক্ত শূন্যপদের চাহিদা দিলে শিক্ষকের শতভাগ বেতন প্রতিষ্ঠান থেকে দিতে হবে।
 তা না হলে প্রতিষ্ঠান প্রধানের এমপিও বন্ধ করা হবে। 
আর কমিটির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। এমপিও নীতিমালায়ও এমনটি বলা আছে।”
গত শিক্ষক নিয়োগে প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে শূন্যপদের ভুল তথ্য দেয়, ফলে ভোগান্তিতে পড়তে হয় অসংখ্য প্রার্থীদের। 
এ সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে এনটিআরসিএ।
শূন্যপদের ভুল তথ্যের ভোগান্তি এড়াতে এবার ই-রিকুইজিশন যাচাই বাছাইয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন জেলা শিক্ষা কর্মকর্তারা।

শূণ্যপদের ভুল তথ্য সংশোধনের পরামর্শ  দিয়েছে এনটিআরসিএ

 
এ সময়ে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তারা নিজ নিজ ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করে প্রতিষ্ঠান থেকে কোনো ভুল তথ্য পাঠালে তা সংশোধন করতে পারবেন।
গত ১৪ জানুয়ারি থেকে তৃতীয় চক্রে শিক্ষক নিয়োগের লক্ষ্যে শূন্যপদের তথ্য সংগ্রহ বা ই-রিকুইজিশন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। 
২৩ জানুয়ারি পর্যন্ত ই-রিকুইজিশন প্রক্রিয়া চলার কথা থাকলেও এ সময় বাড়ায় এনটিআরসিএ।
 গত ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত ই-রিকুইজিশন বা শূন্যপদের তথ্য দিতে পেরেছে প্রতিষ্ঠানগুলো।
 বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে প্রায় ৫৭ হাজার শূন্যপদের তথ্য এনটিআরসিএতে পৌঁছেছে বলে জানা যায়।
বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এন্ট্রি লেভেলে শিক্ষক নিয়োগের লক্ষ্যে প্রার্থী বাছাইয়ের দ্বায়িত্ব পালন করে এনটিআরসিএ। 
বাছাই করা প্রার্থীদের আর কোনও পরীক্ষা দিতে হয় না।
 ইতোমধ্যে দুইটি চক্রে ২০১৬ খ্রিষ্টাব্দে ও ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এন্ট্রি লেভেলের শিক্ষক নিয়োগে প্রার্থী সুপারিশ করেছে এনটিআরসিএ। 
সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে তৃতীয় চক্রে শিক্ষক নিয়োগ দিতে কার্যক্রম শুরু করেছে এনটিআরসিএ।
শূন্যপদের ভুল তথ্য সংশোধনের পরামর্শ দিয়েছে এনটিআরসিএ