One Word Substitute For BCS

How to Read English News Paper Ep-4

Crime, tensions in Rohingya camps only soaring

– অপরাধ ও উত্তেজনা
রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে
–  কেবল বৃদ্ধি পাচ্ছে
অনুবাদ: রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে অপরাধ ও উত্তেজনা কেবল বৃদ্ধি পাচ্ছে।

Govt’s response must be tactical and well-thought-out

– অবশ্যই সরকারের জবাব হতে হবে
– কৌশলী ও সুচিন্তিত
অনুবাদ:  এক্ষেত্রে সরকারের জবাব হতে হবে অবশ্যই কৌশলী এবং সুচিন্তিত

The killings of six Rohingyas in Moinarghona camp-18 madrasa in Cox’s Bazar’s Ukhiya upazila in the dead of Friday night has added to our concerns over the safety of the refugees within the camps.
– ছয়জন রোহিঙ্গার হত্যা
-কক্সবাজরের উখিয়া উপজেলা মিনারাঘোনা ক্যাম্প-১৮ মাদ্রাসায়
-শুক্রবার গভির রাতে
– আমাদের উদ্বেগ বাড়িয়েছে
– ক্যাম্পের মধ্যে রোহিঙ্গদের নিরাত্তার বিষয়ে

অনুবাদ: শুক্রবার গভীর রাতে কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার মিনারঘোনার ১৮ নম্বর ক্যাম্পের মাদ্রাসায় ছয়জন রোহিঙ্গা হত্যা ক্যাম্পের মধ্যে উদ্বাস্তুদের নিরাপত্তার বিষয়ে আমাদের উদ্বেগ বাড়িয়ে দিয়েছ।

After the brutal assassination of Mohib Ullah—a Rohingya refugee leader and a spokesperson for the dignified repatriation of his people—last month, the lack of security and the prevalence of threat from various armed groups within the camps caught the light of day. 

– মহিবুল্লার পাশবিক গুপ্তহত্যার পর
–  যিনি একজন রোহিঙ্গা উদ্বস্তু নেতা
– এবং তাঁর জনগনের সম্মানজনক স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মুখপাত্র
– গতমাসে
–  ক্যাম্পের মধ্যে নিরাপত্তার অভাব
-এবং বিভিন্ন সশস্ত্রগোষ্ঠির কাছ থেকে হুমকির ব্যপকতা
– প্রকাশিত হয়

অনুবাদ:  গত মাসে একজন রোহিঙ্গা নেতা এবং  জনগনের  সম্মানজনক স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মুখপাত্র মুহিবুল্লার  পাশবিক গুপ্তহত্যার পর ক্যম্পের মধ্যে নিরাপত্তার অভাব এবং বিভিন্ন সশস্ত্রগোষ্ঠির হুমকির ব্যপকতা প্রকাশিত হয়।

Though locals largely believe that members of the Arakan Rohingya Solidarity Army (ARSA), an insurgent group based in the northern Rakhine state of Myanmar, are behind the recent attacks, this cannot be confirmed until there is thorough investigation by law enforcement authorities.

-যদিও স্থানীয়রা ব্যপকভাবে বিশ্বস করে
– মায়ানমারের উত্তর রাখাইন প্রদেশ ভিত্তিক বিদ্রোহি গ্রুপ আরাকান রোহিঙ্গা সলিডারিটি আর্মি (আরসা) সদস্যরা
– সাম্প্রতিক হামলাগুলোর পেছেনে রয়োছে
– তবে  তা  ততক্ষন পর্যন্ত নিশ্চিত করা যারে না
– যতখন পর্যন্ত 
– আইন প্রয়োগকারী কর্তৃপক্ষ কতৃক পুঙক্ষানুপুঙ্ক্ষ তদন্ত হবে

অনুবাদ:  যদিও স্থানীয়রা ব্যপকভাবে বিশ্বাস করেন যে সাম্প্রতিক হামলগুলোর পেছনে রয়েছে মায়নমারের উত্তর রাখাইন প্রদেশ  ভিত্তিক বিদ্রোহী গোষ্ঠি আরাকান রোহিঙ্গা সলিডারিটি আর্মি (আরসা) সদস্যরা, তবে যতক্ষন পর্যন্ত না আইন প্রয়োগকারী কর্তৃপক্ষ কতৃক পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত হবে তা নিশ্চিত করা যাবে না।

But what this attack does reveal is the failure of security forces within the camps to maintain safety and peace for the refugees.

– কিন্তু এই হামলা যা প্রকাশ করে
– তা হলো  নিরাপত্তা বাহিনীর ব্যর্থতা ক্যাম্পগুলোর মধ্যে
– উদ্বাস্তদের জন্য নিরাপত্তা ও শান্তি বজায় রাখা।

অনুবাদ: কিন্তু এই হামলা যা প্রকাশ করে তাহলো, ক্যাম্পগুলোর মধ্যে উদ্বাস্তদের জন্য নিরাপত্তা ও শান্তি বজায় রাখতে নিরাপত্তা বাহিনীর ব্যর্থতা। 

A report by this daily quotes an unnamed police official saying that at least 50 criminals stormed the madrasa carrying sharp weapons and firearms.

– এই পত্রিকার একটি প্রতিবেদন
– নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন পুলিশ কর্মকর্তাকে উদ্ধৃত করে বলে যে 
– কমপক্ষে ৫০ জন অপরাধী মাদ্রাসায় হামলা করে
– ধারালো অস্ত্রসস্ত্র  ও আগ্নেআস্ত্র নিয়ে।

অনুবাদ: এই পত্রিকার একটি প্রতেবেদন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক পুলিশ কর্মকর্তাকে উদ্ধৃত করে বলে যে, কমপক্ষে পঞ্চাশ জন অপরাধী ধারালো অস্ত্রসস্ত্র  ও আগ্নেআস্ত্র নিয়ে মাদ্রাসায় হামলা করে।

Subsequently, six people were killed and eight others injured, with the attackers even opening fire at one point before leaving in small groups prior to police’s arrival. Given that there are only three armed police battalions enforcing law and order in the camps housing over 10 lakh refugees, it is no wonder that such a catastrophe took place. 

But such attacks will only go on if immediate measures are not taken by authorities to give Rohingya refugees the sense of security they need. The foreign minister’s suggestion for law enforcers to “open fire, if necessary” is not going to solve the problem and bring down tensions. There is a serious need to amp up security forces, in numbers and capabilities, and to identify groups within the camps who wish to cause such unrest. We would also urge the government to not only improve camp security, but to also protect and engage with Rohingya leaders—starting with those who sought protection after the killing of Mohib Ullah. Reducing hostility from armed groups must go hand-in-hand with reassuring Rohingya refugees so they can regain their sense of safety and community in the camps until repatriation is achieved. 

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *